আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘খোয়াবনামা’ উপন্যাসে ফুটে ওঠা গ্রামীণ জনপদের জীবনাচার, সংগ্রাম ও শাশ্বত জীবনচিত্র
আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘খোয়াবনামা’ উপন্যাসে ফুটে ওঠা গ্রামীণ জনপদের জীবনাচার, সংগ্রাম ও শাশ্বত জীবনচিত্র
বিংশ শতাব্দীর বাংলা কথাসাহিত্যের ইতিহাসে মহাকাব্যিক বাস্তবতাবাদ ও তীক্ষ্ণ সামাজিক দায়বদ্ধতার এক প্রথাবিরোধী নির্মোহ রূপকার হলেন আখতারুজ্জামান ইলিয়াস (১৯৪৩-১৯৯৭)। তিনি তাঁর স্বল্পায়ু সাহিত্যজীবনে প্রথাগত রোমান্টিক কল্পনাবিলাসিতাকে সশব্দে প্রত্যাখ্যান করে শোষিত ও ব্রাত্য মানুষের বাস্তব জীবনসংগ্রামকে সাহিত্যের মূল ক্যানভাসে স্থাপন করেছিলেন। আধুনিক বাংলা সাহিত্যে মাত্র দুটি উপন্যাস ও আটাশটি ছোটগল্প রচনা করেই তিনি বাস্তবতার এমন এক কালজয়ী ও গভীর রূপ নির্মাণ করেছেন, যা আমাদের কথাসাহিত্যকে এক নতুন উচ্চতায় পৌঁছে দিয়েছে। ১৯৯৬ সালে প্রকাশিত তাঁর কালজয়ী উপন্যাস ‘খোয়াবনামা’ (১৯৯৬) বাংলা সাহিত্যের এমন এক অনবদ্য সৃষ্টি, যেখানে উত্তরবঙ্গের প্রান্তিক কৃষিজীবী ও জলজীবী মানুষের জীবনাচার, দৈনন্দিন সংগ্রাম ও সামাজিক রূপান্তরের মহাকাব্যিক আখ্যান ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
নদী, বিল ও প্রকৃতি-মানুষের নিবিড় সম্পর্ক: ভৌগোলিক বাস্তবতার সঠিক ক্যানভাস
‘খোয়াবনামা’ উপন্যাসের মূল ভৌগোলিক কেন্দ্রবিন্দু হলো উত্তরবঙ্গের বগুড়া ও দিনাজপুর অঞ্চলের জনপদ, বিশেষ করে কাৎলাহার বিল, গিরিরডাঙা ও নিজগিরিরডাঙা গ্রাম, গোলাবাড়ি হাট, মাদারিপাড়া, কামারপাড়া, মাঝিপাড়া এবং করতোয়া, বাঙালি ও যমুনা নদীর অববাহিকা। ইলিয়াস অত্যন্ত সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণের মাধ্যমে দেখিয়েছেন যে, এখানকার মানুষগুলোর জীবন ও জীবিকার প্রতিটি স্পন্দন প্রাকৃতিক পরিবেশের সাথে নিবিড়ভাবে যুক্ত। পলিমাটি, বিলের জল, মাছ, ধানখেত, কুয়াশা এবং বর্ষার কাদা—এসব নিছক কোনো প্রাকৃতিক দৃশ্যপট নয়, বরং তা সাধারণ মানুষের অস্তিত্ব ও টিকে থাকার অবিচ্ছেদ্য অংশ।
কাৎলাহার বিল এই অঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের জীবনধারণের প্রধান অবলম্বন। মাঝিপাড়ার মানুষ বংশপরম্পরায় বিলের সাথে একাত্ম হয়ে মাছ ধরে এবং নিজগিরিরডাঙার চাষারা আবাদ করে বেঁচে থাকে। ইলিয়াস প্রকৃতি ও সাধারণ মানুষের এই মেলবন্ধনকে কেবল রোমান্টিক দৃষ্টিতে দেখেননি, বরং জীবিকার কঠোর প্রয়োজনের নিরিখে চিত্রিত করেছেন। বিলের ওপর নির্ভরশীল মানুষের এই একরোখা স্বভাব ও প্রতিকূল প্রকৃতির সাথে টিকে থাকার দৈনন্দিন লড়াই সম্পর্কে উপন্যাসে বর্ণিত হয়েছে:
"এই মাঝির বংশের মানুষ বড় একরোখা। মাছ ধরা হলো এদের কুলপেশা, মাছের মতোই ঝাক ধরে থাকে।"
মূল উপন্যাসের এই পংক্তিটি নদী ও বিলকেন্দ্রিক প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর টিকে থাকার দুর্ভেদ্য মানসিকতাকে উন্মোচিত করে। যে সাধারণ মানুষগুলো কাৎলাহার বিলের ওপর নির্ভর করে জীবিকা নির্বাহ করে- প্রতিকূল প্রাকৃতিক দুর্যোগ, আকাল এবং সামাজিক শোষণের মুখে তাদের জীবনও জলের মাছের মতোই অত্যন্ত কঠিন।
সামন্ততান্ত্রিক শোষণ ও গ্রামীণ সামাজিক অর্থনীতির নিরাবরণ বাস্তব রূপ
উপন্যাসের সামাজিক প্রেক্ষাপটে উন্মোচিত হয়েছে ১৯৪০-এর দশকের গ্রামীণ বাংলার নির্মম শ্রেণিদ্বন্দ্ব ও জটিল সামাজিক কাঠামো। মূল উপন্যাসে এই সমাজ বহুধা বিভক্ত। একদিকে রয়েছে জমিও বিলের ইজারাদার শরাফত মণ্ডল ও তার শিক্ষিত ছেলেরা (আব্দুল আজিজ ও আব্দুল কাদের), টাউনের উকিল ও কাছারির নায়েববাবু; অন্যদিকে রয়েছে শোষিত প্রান্তিক জনগোষ্ঠী। ইলিয়াস গ্রামীণ সম্প্রদায়ের বৈচিত্র্যকে নিখুঁতভাবে চিহ্নিত করেছেন—কাৎলাহার বিলে মাছ ধরা মাঝি সম্প্রদায় (মাঝিপাড়া), জমিতে লাঙল চষা চাষা ও আধিয়ার (নিজগিরিরডাঙার কৃষক), কলু বা তেলি সম্প্রদায় (কলুপাড়া), কামার সম্প্রদায় (কামারপাড়া), মারফতি ধারার মাদারি ফকির সম্প্রদায় এবং ধর্মীয় আচার-আচরণে বিভক্ত হানাফি ও মোহাম্মদি (আহলে হাদিস) মুসলিম সম্প্রদায়।
একসময় যে কাৎলাহার বিল মাঝিপাড়ার মানুষের উন্মুক্ত সম্পদ ছিল, চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত এবং পরবর্তীতে স্থানীয় জোতদার শরাফত মণ্ডলের চক্রান্তে তা ইজারার মাধ্যমে ব্যক্তিমালিকানায় চলে যায়। শরাফত মণ্ডল হলো গ্রামীণ সামন্ততান্ত্রিক শোষণের এক জীবন্ত প্রতীক। সে সাধারণ কৃষকের শ্রম ও প্রজা মাঝিদের রক্তের ওপর নিজের প্রাচুর্য গড়ে তোলে। প্রান্তিক কৃষক তমিজ যখন নিজের জমিতে ফসল ফলানোর জন্য উন্মুখ হয়ে ওঠে, তখন জোতদার শরাফত মণ্ডলের শ্রেণিচেতনা ও তাচ্ছিল্য ফুটে ওঠে এভাবে:
"হাজার হলেও তমিজ হলো মাঝির বেটা। আর কয়েকটা বছর চাষবাসের কাম করুক, তখন লিজেই সব বুঝবি।"
এই উক্তিটি শরাফত মণ্ডলের গ্রামীণ সামন্ততান্ত্রিক দৃষ্টিভঙ্গি ও বৈষম্যমূলক মানসিকতাকে প্রকাশ করে। কৃষকের রক্তজল করা পরিশ্রমকে ভূস্বামীরা সবসময় খাটো করে দেখে এবং কৌশলে তাদের চিরকাল বর্গাচাষি বা কামলা বানিয়ে রাখার চক্রান্ত চালায়।
কৃষকের এই শোষিত অবস্থান এবং শোষকদের দুধে-ভাতে থাকার বৈষম্য উপন্যাসে সংগৃহীত তেভাগা আন্দোলনের পংক্তিতে কেরামত আলীর কণ্ঠে প্রতিধ্বনিত হয়:
"যাহার হাতে নাঙল, ফলায় ফসল অন্ন নাই তার পাতে
জমির পর্চা লইয়া জোতদার থাকে দুধেভাতে"
কেরামত আলীর গাওয়া এই লোকজ পংক্তি দুটি গ্রামীণ সমাজের মৌলিক অর্থনৈতিক অসন্তোষের বাস্তব দলিল। যে কৃষক রোদ-বৃষ্টি মাথায় নিয়ে জমিতে ধান ফলায়, তার থালা থাকে শূন্য; অন্যদিকে জমির নথিপত্র বা পর্চার জোরে জোতদাররা সব ফসল লুট করে সুখে-স্বাচ্ছন্দ্যে দিন কাটায়।
অবদমিত স্বপ্ন, লোকবিশ্বাস, মিথ এবং 'খোয়াব'-এর ধারাবাহিকতা
‘খোয়াবনামা’ উপন্যাসের সবচেয়ে অনন্য ও শৈল্পিক দিক হলো এর লোকবিশ্বাস, মিথ ও 'খোয়াব' বা স্বপ্নের সুররিয়েলিক প্রয়োগ। ইলিয়াস দেখিয়েছেন যে, সাধারণ প্রান্তিক মানুষ বাহ্যিক জীবনে চরম পরাভূত ও শোষিত হলেও তাদের মনস্তাত্ত্বিক জগতে তারা লোকপুরাণ, অতীতের ইতিহাস ও স্বপ্নের ওপর ভর করে বেঁচে থাকে।
উপন্যাসের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে কাৎলাহার বিলের সিথানের পাকুড়গাছ এবং তাতে বাস করা ফকির মজনু শাহের অনুসারী 'মুনসি'র (বয়তুল্লাহ শাহ) গল্প। একই সাথে মাদারিপাড়ার চেরাঘ আলী ফকিরের দোতারা বাজিয়ে গান গাওয়া এবং মানুষের স্বপ্নের ব্যাখ্যা বা 'খোয়াবনামা' রচনার ঐতিহ্য উপন্যাসের মূল চালিকাশক্তি। পাকুড়গাছ ও স্থানীয় লোকপ্রবাদ নিয়ে উপন্যাসের লোকছড়া:
সিথানে পাকুড়গাছ মুনসির বসতি।
তলায় গজার মাছ অতি হিংস্ৰমতি।।
গভীর নিশিতকালে মুনসির আদেশে।
বিলের গজার মাছ রূপ লয় মেষে।।
এই ছড়াটি কাৎলাহার বিল অঞ্চলের মানুষের সুদীর্ঘকালের অবচেতন লোকবিশ্বাসকে তুলে ধরে। তমিজের বাপের মতো সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করে যে এই পাকুড়গাছে মুনসির আত্মা বিরাজমান, যিনি বিলের মাছ ও পরিবেশ রক্ষা করেন।
মানুষের জাগতিক জীবন ধ্বংস করা গেলেও তার লোকজ ঐতিহ্য ও স্বপ্নের মুক্তিকামী চেতনাকে যে স্তব্ধ করা যায় না, তা ইলিয়াস প্রকাশ করেছেন এই মূল দর্শনে:
"মানুষ মরে গেলেও তার খোয়াব মরে না। সেই খোয়াব বংশপরম্পরায় মানুষের রক্তে বইতে থাকে।"
এই চরণটি উপন্যাসের মূল ভাবসত্যকে ধারণ করে আছে। ব্রিটিশ শাসক বা স্থানীয় জোতদারেরা কৃষকের শরীরকে অত্যাচার করতে পারে, তার জমি কেড়ে নিতে পারে, কিন্তু তার হৃদয়ে লালিত মুক্তির স্বপ্নকে হত্যা করতে পারে না। ১৮ শতকের ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহের যে অবদমিত ইচ্ছা, তা ২০ শতকের কৃষক তমিজ ও তার বাপের অবচেতন রক্তপ্রবাহে 'খোয়াব' হয়ে প্রবাহিত হতে থাকে।
প্রান্তিক মানুষের লোকজ আধ্যাত্মিক আশ্রয় ও মানসিক সুরক্ষাবলয় প্রকাশ পায় চেরাঘ আলী ফকিরের গানের সুরে:
"গোল করিও না তোমরা ফকিরে ঘুমায়।
ও ও ও ও গোল করিও না তোমরা ফকিরে ঘুমায়।।"
এই গানটি চেরাঘ আলী ও পরবর্তীতে কেরামত আলীর কণ্ঠে বারবার উঠে এসেছে। সামাজিক নিপীড়ন ও দুঃখ-কষ্ট থেকে ক্ষণিকের জন্য আত্মিক মুক্তি পেতে সাধারণ মানুষ মারফতি গান ও লোকবিশ্বাসের গভীরে ডুবে থাকত।
পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের নিরাবরণ বাস্তবতা: চরিত্র মনস্তত্ত্ব
আখতারুজ্জামান ইলিয়াস উপন্যাসে কোনো কাল্পনিক বা অলৌকিক চরিত্র রূপায়ণ করেননি; বরং তিনি প্রান্তিক মানুষের মনস্তত্ত্ব, ক্ষুধা, জৈবিক তাগিদ এবং প্রতিদিনের কাজগুলোকে বাস্তবতার নিরিখে তুলে ধরেছেন।
- তমিজ ও তমিজের বাপ: তমিজের
বাপ অতীত
ইতিহাস ও
স্বপ্নের ঘোরে
আচ্ছন্ন এক
সোমনামবুলিস্ট চরিত্র।
অন্যদিকে তমিজ
হলো কঠোর
বাস্তবতার মুখোমুখি
দাঁড়ানো এক
লড়াকু তরুণ
কৃষক।
- কুলসুম ও ফুলজান: উপন্যাসের
নারী চরিত্রগুলো
গ্রামীণ সমাজে
টিকে থাকার
অনন্য সংগ্রামের
প্রতীক। চেরাঘ
আলীর নাতনি
কুলসুম দারিদ্র্য
ও নিঃসঙ্গতার
মাঝেও বেঁচে
থাকার জৈবিক
ও সামাজিক
তাগিদ অনুভব
করে। অন্যদিকে
ফুলজান হলো
চরম আকালের
মাঝে সন্তানকে
বাঁচিয়ে রাখার
সংগ্রামরত নারী।
ধান কাটার মৌসুমে উত্তরবঙ্গের গ্রামীণ আবহ ও নারীর জীবনের ব্যস্ততা উপন্যাসে কুলসুমের গানের মধ্যে ধরা পড়ে:
"সুরুজে বিদায় মাঙে শীতেতে কাতর।
ধান কাটো ফাটে ভরা শীষের অন্তর।।"
মূল উপন্যাসে কুলসুমের মুখে এই প্রথাগত লোকগীতটি গ্রামীণ বাংলায় ধান কাটার উৎসব ও কৃষিজীবী মানুষের জীবনের সহজ-সরল রূপ প্রকাশ করে। প্রকৃতির পরিবর্তনের সাথে সাথে গ্রামীণ মানুষের জীবনসংগ্রাম কীভাবে আবর্তিত হয়, তা এতে স্পষ্ট।
তেভাগা আন্দোলন ও প্রান্তিক মানুষের গণজাগরণ
উপন্যাসের শেষভাগে ১৯৪০-এর দশকের উত্তাল রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট—বিশেষ করে অবিভক্ত বাংলার তেভাগা আন্দোলন, মুসলিম লীগের রাজনীতি এবং দেশভাগের সংকট কৃষকদের জীবনে সরাসরি আঘাত হানে।
কৃষকেরা যখন বুঝতে পারে যে উৎপাদিত ফসলের তিন ভাগের দুই ভাগ পাওয়ার দাবিই তাদের ন্যায্য অধিকার, তখন তারা একজোট হয়ে আন্দোলন শুরু করে। মূল উপন্যাসে তেভাগার এই দাবির স্পষ্ট পংক্তি প্রতিধ্বনিত হয়:
জোতদার পাবে এক ভাগ ফসল
চাষায় দুই ভাগ পাই।
তাই তেভাগার ডাক
তা ই তেভাগার ডাক
দাও জোরে হাঁক
বলো চাষার জয়।
এই পংক্তিটি উপন্যাসে তেভাগা আন্দোলনের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক মূল দাবিকে নির্দেশ করে। শত শত বছর ধরে শোষিত আধিয়ার ও কৃষকশ্রেণি নিজেদের অধিকার আদায়ে সংগঠিত হয়ে জোতদার ও সামন্তপ্রথার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে ওঠার সাহসী ছবি এখানে আঁকা হয়েছে।
উপসংহার: শাশ্বত লোকজীবন ও বিকল্প ইতিহাস
সামগ্রিক পর্যালোচনায় বলা যায়, আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের ‘খোয়াবনামা’ (১৯৯৬) কেবল একটি গল্পের বই নয়; এটি উত্তরবঙ্গের কাৎলাহার বিল ও নদীবিধৌত জনপদের প্রান্তিক মানুষের দৈনন্দিন জীবনাচার, ক্ষুধা, প্রবঞ্চনা এবং শোষণের বিরুদ্ধে টিকে থাকার এক অনবদ্য আখ্যান।
লেখক এখানে রূপকথা বা অবদমিত স্বপ্নকে নিছক অলীক কল্পনা হিসেবে দেখাননি, বরং দেখিয়েছেন শোষিত মানুষের সংজ্ঞাহীন ঐতিহাসিক চেতনা হিসেবে। সঠিক নদীর নাম, গ্রামীণ জনপদ এবং বিভিন্ন শোষিত ও কর্মজীবী সম্প্রদায়ের নিখুঁত বিন্যাসে নির্মিত এই উপন্যাসটি আধুনিক বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সাধারণ মানুষের চোখ দিয়ে দেখা এক শাশ্বত মহাকাব্যিক দলিল।

No comments
"আপনার মতামত বা প্রশ্ন লিখে জানান। আপনার যেকোনো পরামর্শ সাদরে গৃহীত।"